ইবোলা ভাইরাসঃ সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম!!!

এই বছরের এপ্রিল মাসের শুরুতে পশ্চিম আফ্রিকার কঙ্গোতে একটি ভয়ংকর রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। দেখতে না দেখতেই রোগটি কঙ্গো দেশটিতে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, আক্রান্ত ব্যক্তির বেশীরভাগ-ই এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। প্রকট ছোঁয়াছে এই রোগটি খুব দ্রুতই কঙ্গোর সীমানা পেরিয়ে পাশের দেশ গিনি, লাইবেরিয়া, সিয়েরা লিয়নে বিস্তার লাভ করে। পরিসংখ্যাণ অনুযায়ী,জুলাই মাস পর্যন্ত প্রায় ১৫০০ জন এই মারাত্বক প্রাণঘাতী এই রোগে আক্রান্ত হয়,যার ভিতর প্রায় ৭২৯ জন(৫৫ শতাংশ) মারা যায়। সবচেয়ে আশঙ্কার কথা এই রোগের ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশী তাই মৃত ব্যক্তির মধ্যে প্রায় ৬০ জন স্বাস্থ্যকর্মী, যারা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে থাকার ফলে নিজেরাই এই ভাইরাসের আক্রমণের স্বীকার হয়ে মৃত্যুবরণ করে।

ইলেকট্রন মাইক্রোসকপ দিয়ে তোলা একটি ইবোলা ভাইরাসের চিত্র

ইলেকট্রন মাইক্রোসকপ দিয়ে তোলা একটি ইবোলা ভাইরাসের চিত্র

এটিই প্রথম আক্রমণ নয়
পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা ভাইরাসের আক্রমণ এটিই প্রথম নয়। ১৯৭৬ সর্বপ্রথম কঙ্গোর ইবোলা নদীর তীরবর্তী জিয়েরা এলাকায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ঐ বছরের ২৬শে আগস্ট রোগটি প্রথম মহামারি আকারে দেখা দেয়। সর্বপ্রথম ৪৪ বছর বয়সী একজন স্কুল শিক্ষক,Mabalo Lokela-কে আক্রান্ত ব্যক্তি হিসেবে শনাক্ত করা হয়।  ইবোলা নদীর নামের সাথে মিল রেখে এই রোগটির ভাইরাসের নামকরণ করা হয় ইবোলা ভাইরাস। সেই সময় প্রায় ৩১৮ জন ব্যক্তি এই রোগে আক্রান্ত হয় এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ২৮০ জন (শতকরা ৮৮ ভাগ) ব্যক্তি মারা যায়। পরবর্তীতে এই ভাইরাস কঙ্গো দেশটির সীমানা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ সুদানে ছড়িয়ে পড়ে এবং ২৮৪ জনকে আক্রান্ত করে এবং ১৫১ জন মারা যায়।

বিশ্বব্যাপী ইবোলা ভাইরাসের আক্রমণ এটিই প্রথম নয়…

বিশ্বব্যাপী ইবোলা ভাইরাসের আক্রমণ এটিই প্রথম নয়…

প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাস
ইবোলা ভাইরাসের গঠন লম্বাটে, কৃমির মত সূত্রাকার। এটি একটি RNA জিনোম নিয়ে গঠিত, এই RNA জিনোম নিউক্লিওক্যাপসিড নামের একটি অঙ্গাণু দিয়ে বেষ্টিত থাকে। জিনোমটিকে EBOV দিয়ে প্রকাশ করা হয় এবং এতে প্রায় ১৯০০০ বেসপেয়ার রয়েছে। লম্বাটে গোলাকার এই ভাইরাসের গঠনকে আমরা যদি একটি সিলিন্ডার হিসেবে বিবেচনা করি, তাহলে ঐ সিলিন্ডারের ব্যাস হবে প্রায় ৮০ ন্যানোমিটার। এটি একটি লিপিড দ্বি-স্তরবিশিষ্ট আবরণী ত্বক থাকে যেখানে ৭-১০ ন্যানোমিটার লম্বা তন্তুর মত সূচালো গ্লাইকোপ্রোটিন ভাইরাল এনকোডেড অবস্থায় থাকে। ইবোলা ভাইরাস লম্বায় সাধারণত ৮০০-১০০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়।
ইবোলা ভাইরাসের বৈজ্ঞানিক নাম Zaire ebolavirus । Ebolavirus গণের অন্তর্ভূক্ত পাঁচপ্রকার ভাইরাসের প্রকরণের মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভয়ঙ্কর।

ইবোলা ভাইরাসের একটি গাঠনিক চিত্র

ইবোলা ভাইরাসের একটি গাঠনিক চিত্র

ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির ধরণ এবং লক্ষণ
একজন ব্যক্তি যখন ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয় তখন প্রথম দিকের লক্ষণ থাকে তীব্র অবসাদ ও ক্লান্তি, মাথাব্যাথা, জ্বর এবং হাড়ের সংযোগস্থলে অস্বাভাবিক ব্যাথা। এরসাথে বমি এবং ডায়রিয়াও হতে পারে। প্রথমদিকে বুকে ব্যাথা, শ্বাসকষ্ট, গলা এবং শ্বাসনালীতে ব্যাথা অনুভূত হতে পারে। সাধারণত  ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর রোগলক্ষণ প্রকাশ পেতে ৮ থেকে ১০ দিন সময় লেগে যায়, ক্ষেত্রবিশেষে এটি ২ থেকে শুরু করে ২১ দিনও লেগে যেতে পারে। শতকরা ৫০ ভাগ রোগীর ত্বক আক্রান্ত হয়। রক্তক্ষরণ শুরু হওয়া আগ পর্যন্ত এই রোগের লক্ষণগুলোর সাথে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু জ্বর এবং গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বিভিন্ন রোগের লক্ষণের সাথে বেশ মিল পাওয়া যায়।
প্রায় ৫০ শতাংশ রোগীর রোগলক্ষণ দেখা দেওয়া ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দেহ থেকে ভয়ংকর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। রক্তক্ষরণ শুরু হয় মূলত দেহত্বকের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র দিয়ে। দেহের বাইরের অংশে রক্তক্ষরণ শুরু হলেও ক্রমেই এটি দেহের ভিতরের অঙ্গসমূহকে আক্রান্ত করে এবং সেখানেও রক্তক্ষরণ ঘটায়। চোখের দৃষ্টিশক্তি ক্রমশ কমে যেতে থাকে এবং এর সাথে সাথে রক্তবমি হওয়া শুরু হয়।  প্রচণ্ড এই রক্তক্ষরণ রোগীকে ক্রমশ মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়।

ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির লক্ষণ

ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির লক্ষণ

ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্তের কারণ
Ebolavirus গণের অন্তর্ভূক্ত মোট পাঁচটি প্রজাতি আছে। ইবোলা রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম Zaire ebolavirus ,এদের গোত্রের নাম Filoviridae এবং পর্বের নাম Mononegavirales । এই গণের অন্তর্ভূক্ত আরো চারটি প্রজাতি আছে। এরা হচ্ছে Bundibugyo virus, Sudan virus, Taï Forest virus এবং Reston virus। শেষেরটি ছাড়া এই গণের অন্তর্ভূক্ত অন্যান্য প্রজাতিও মানবদেহে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী। ভাইরাসের এই পাঁচটি প্রকরণের সাথে অন্য এক প্রকার ভাইরাসের সাদৃশ্য রয়েছে, সেই ভাইরাসটির নাম Marburg viruses.

ইবোলা ভাইরাসের বৈজ্ঞানিক নামকরণ

ইবোলা ভাইরাসের বৈজ্ঞানিক নামকরণ

এখনো পরিষ্কার ভাবে বলা যায় না ইবোলা ভাইরাস ঠিক কীভাবে ছড়ায়। তবুও বলা যায় আক্রান্ত প্রাণি বা ব্যক্তির শরীরের ভিতরের ও বাইরের বিভিন্ন তরল পদার্থের সংস্পর্শে এসে অন্য কোন ব্যক্তি অথবা প্রাণি এই ভাইরাসের সংক্রমণের শিকার হতে পারে। শরীরের এইসব তরল পদার্থ বা ফ্লুইড হতে পারে রক্ত,লসিকা,কফ,লালা ইত্যাদি। আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত সুই বা সিরিঞ্জ অন্য কেউ ব্যবহার করলে ঐ ব্যক্তিও ভাইরাসে সংক্রমিত হতে পারে। আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির শরীর থেকেও ভাইরাসের আক্রমণের ঝুকি রয়েছে।
তবে আক্রান্ত ব্যক্তির রোগের লক্ষণ খুব দ্রুত প্রকাশ পায় বলে এদেরকে সহজে মূল জনগোষ্ঠি থেকে আলাদা করা যায়। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী যারা আক্রান্ত ব্যক্তির সেবায় নিয়োজিত থাকে তারা যদি মাস্ক ব্যবহার না করে তবে তারাও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। অতীতে এইসব সতর্কতা অবলম্বন না করার ফলে অনেক স্বাস্থ্যকর্মীরাও এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।

বাদুর থেকে মানুষে যেভাবে ইবোলা ভাইরাস ছড়ায়…

বাদুর থেকে মানুষে যেভাবে ইবোলা ভাইরাস ছড়ায়…

ফলভূক বাদুর(Frutebat)-কে এই ভাইরাসের প্রধান বাহক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাদুরের অসমাপ্ত খাওয়া ফলমূল গরিলা বা শিম্পাঞ্জি সংগ্রহ করে খাওয়ার ফলে ভাইরাস প্রথমে বাদুরের শরীর থেকে এদের শরীরে স্থানান্তরিত হয়, পরে এদের সংস্পর্শে থাকা মানুষের মাঝেও এই ভাইরাস ছড়িয়ে পরে।

ইবোলা ভাইরাসের প্রধান বাহক ফলভূক বাদুর বা frute Bat

ইবোলা ভাইরাসের প্রধান বাহক ফলভূক বাদুর বা frute Bat

বাদুরকে এই ভাইরাসের প্রধান বাহক ধরা হলেও বিভিন্ন আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণি এবং পাখিকেও এই ভাইরাসের বাহক হিসেবে ধরা হয়। এই ভাইরাসে আক্রান্ত কোন প্রাণি ভক্ষণের ফলেও কোন ব্যক্তি এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। পশ্চিম আফ্রিকার কিছু কিছু অঞ্চলের লোকেরা বাদুরের মাংস রান্না করে খায়, গ্রীল করে খায়, স্মোক করে খায়, এমনকি স্যুপ করেও খায়। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ঐ অঞ্চলের মানুষের ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশী থাকে।

পশ্চিম আফ্রিকার অনেক অঞ্চলের লোকেরা বাদুর রান্না করে খায়!!!

পশ্চিম আফ্রিকার অনেক অঞ্চলের লোকেরা বাদুর রান্না করে খায়!!!

আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ইবোলা ভাইরাস যেভাবে ছড়ায়
কোন একজন ব্যক্তির শরীরে যখন ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে তখন ভাইরাসের প্রধান লক্ষ্য থাকে এন্ডোথেলিয়াল কোষ, এককোষী প্যাগোসাইটস এবং হেপাটোসাইটস কোষগুলোকে আক্রমণ করা। এরপর ইবোলা ভাইরাসের শরীরে অবস্থিত গ্লাইকোপ্রোটিন সংশ্লেষিত হয়। এরপর ভাইরাসটি রেপ্লিকেশনের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটায় এবং প্রোটিন সংশ্লেষণ করে একটি ত্রিমুখী জটিল যৌগ তৈরী করে এবং এই যৌগটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে নষ্ট করে ফেলে। এই জটিল যৌগটি এন্ডোথেলিয়াল কোষের সাথে সংযুক্ত হয়ে রক্তনালীর ভিতরের পৃষ্ঠে সংক্রমণ ঘটায়। রক্তের মাধ্যমে ভাইরাসটি ক্রমেই সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং কিডনী,লিভার প্রভৃতি অঙ্গসমূহকে আক্রান্ত করে।

আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ইবোলা ভাইরাস যেভাবে সংক্রমিত হয়…

আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ইবোলা ভাইরাস যেভাবে সংক্রমিত হয়…

ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা প্রতিকার
ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য নির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। আক্রান্ত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব সাধারণ জনগণ থেকে আলাদা করে নিরাপত্তা কেন্দ্রে (Isolation Unit) নিয়ে যেতে হবে,কারণ দ্রুত চিকিৎসা রোগ নিরাময়ের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তোলে। চিকিৎসা হিসেবে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরলের ভারসাম্যকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয় যেন রক্তের মাধ্যমে ভাইরাসটি পুরো শরীরে বাহিত হতে না পারে। রক্তক্ষরণ শুরু হলে বাইরে থেকে রক্ত দেওয়া হয়। শরীরে পর্যাপ্ত মাত্রায় অক্সিজেন প্রয়োগ করা হয় যেন অক্সিজেনের কোন ঘাটতি না ঘটে। বর্তমানে ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পরীক্ষামূলক গবেষণা চালাচ্ছে।

ইবোলা ভাইরাসের কোন প্রতিরোধক টিকা নেই
এখনো পর্যন্ত ইবোলা ভাইরাসের কোন প্রতিরোধক ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়নি। মূলত আক্রান্ত ব্যক্তি ও এলাকা থেকে যথাসম্ভব সতর্ক থাকাই প্রতিরোধের সর্বত্তোম উপায়। ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার কাজে নিয়োজিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের যথাযথ ভাবে মাস্ক, অ্যাপ্রন, গ্লাভস ও গগলস পরে নিয়ে কাজ করতে হবে যেন তাদের দেহে ভাইরাসের সংক্রমণ না ঘটে। এই রোগে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তিকে যথাযথ ভাবে সৎকারের ব্যবস্থা করতে হবে। আক্রান্ত এলাকার জনগণকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া যেতে পারা। এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেন ভাইরাসের সংক্রমণ না ঘটতে পারে সেজন্য সকল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার আগে নিরাপদ পোষাক পরা উচিৎ

ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার আগে নিরাপদ পোষাক পরা উচিৎ

বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ইবোলা ভাইরাস পরিস্থিতি
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ইবোলা ভাইরাস সংক্রমণের কোন খবর পাওয়া যায়নি, তবুও আমাদের সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ২০১৪ সালের ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণকে মহামারী আকার নির্ধারণ করেছে এবং জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছে। WHO-এর সাথে জাতিসংঘ(UN) ও রেডক্রস একযোগে কাজ করছে। বিভিন্ন উন্নত দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে জরুরী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সৌদিআরবে আক্রান্ত দেশ থেকে হজ্বযাত্রা নিষিদ্ধ করেছে হজ্ব ব্যবস্থাপণা কতৃপক্ষ। কিন্তু বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে এখনো কোন প্রকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। যেহেতু জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অসংখ্য সেনাকর্মকর্তা পশ্চিম আফ্রিকার আক্রান্ত দেশগুলোতে নিয়োজিত আছে, তাই বাংলাদেশ সরকারের এখনি জরুরী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ।

২০১৪ সালের মহামারীতে আক্রান্ত ও মৃত ব্যক্তির সংখ্যা…

২০১৪ সালের মহামারীতে আক্রান্ত ও মৃত ব্যক্তির সংখ্যা…

একটা মজার কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখানে না উল্লেখ করলেই নয়,বাংলাদেশ সহ এশিয়ার কিছু ফলভূক বাদুরের শরীরে Zaire ebolavirus প্রতিরোধী কিছু এন্টিবডি পাওয়া গেছে। হয়তো হতে পারে বাংলাদেশেই রয়েছে ইবোলা ভাইরাস প্রতিরোধকারী ভ্যাকসিনের উপাদান। কিন্তু যতদিন পর্যন্ত সেটি না হচ্ছে, আমাদের উচিৎ যতটা সম্ভব,সতর্ক থাকা।

 

Advertisements

মন্তব্য করতে চাইলে এখানে লিখুনঃ

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s